Hello World
যোগাযোগ

অর্থনীতি

দৌলতপুরের বর্গাচাষি আনারুলের কি হবে !

Published

on

আলুর ক্ষেতে যখন কেবল তরতাজা গাছ তখন কীটপতঙ্গ নিধনের জন্য কীটনাশক ছিটাতে গিয়ে আগাছা নিধনের রাসায়নিক ছিটেয়ে ব্যপক লোকসানে পড়েছেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের খলিশাকুন্ডী গ্রামের কৃষক বর্গাচাষি আনারুল।

ঋণের টাকায় চাষাবাদ করা এই কৃষকের অভিযোগ– দিন তিনেক আগে নিকটস্থ মেসার্স এসকেন্দার ট্রেডার্স থেকে কীটনাশক এনে ফসলে (আলু) স্প্রে করেন তিনি। পরদিন সকালে এসে দেখতে পান আলু গাছের কাণ্ড মুড়িয়ে যাচ্ছে এবং পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে, প্রতিবেশী কৃষকদের সাথে আলাপ করে বুঝতে পারেন কীটনাশকের পরিবর্তে তাকে দোকানী ভুল করে দিয়েছেন আগাছা নাশক।

দোকানীর অবহেলা ও অজ্ঞতার কারনে তাঁকে (কৃষক) ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি তার। উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তা চাইছেন কৃষক আনারুল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দোকান মালিক এসকেন্দার মির্জা বলেন, আমি দোকানে ছিলাম না আনারুল আমার নিয়মিত খদ্দের, আমার বউয়ের কাছ থেকে সে কীটনাশকই নিয়েছে,আমার দোকানে ওই রাসায়নিক বিক্রি হয়না।

কৃষক আনারুল কেন তার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অভিযোগ করছেন তার প্রতিত্তোরে কোন উত্তর দিতে পারেননি এসকেন্দার মির্জা। প্রকাশ্যে লাইসেন্স না ঝোলানো, মুদি দোকানের সাথেই কীটনাশক ও ডিজেল তেল বিক্রি, লাইসেন্সের নবায়ন না থাকা এবং নিজে প্রশিক্ষিত হলেও অপ্রশিক্ষিত স্ত্রী কে দিয়ে কীটনাশকসহ অন্যান্য রাসায়নিক বিক্রির মতো গাফিলতির প্রমাণ এড়িয়ে যেতে পারেননি তিনি।

অপরাধ এড়িয়ে যেতেই আগাছা নিধনের রাসায়নিক বিক্রির বিষয়টি গোপন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে এসকেন্দারের বিরুদ্ধে।

প্রায় ৪৫ শতক জমির ফসল নষ্ট হওয়ার বিষয়টি সরেজমিনে দেখা যায় এবং আশপাশের আবাদি জমির চাষী নজরুল, নাজমুল, আমিরুল ঘটনার সত্যতা প্রসঙ্গে প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

কীটনাশক, সার,রাসায়নিক ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অধিক সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেন দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে কোন প্রণোদনার আওতায় আনা যায় কি-না বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে।

Click to comment

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

দৌলতপুর

 

কুষ্টিয়া

জাতীয়

খেলাধুলা

আরো খবর

Design and Developed by TechEpoka